ব্লগ

ক্রিকেট হাইলাইটস, ১৩ই অক্টোবরঃ আই পি এল ২০২১ (কোয়ালিফায়ার ২)

কলকাতা নাইট রাইডার্স দলটি দিল্লি ক্যাপিটালসকে আইপিএল ইতিহাসের সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ এবং বিস্ময়কর একটি ম্যাচে তিন উইকেটে পরাজিত করে ১৫ ই অক্টোবর চেন্নাই সুপার কিংসের বিপক্ষে ফাইনালে তাদের স্থান নিশ্চিত করেছে।

আই পি এল ২০২১ – কোয়ালিফায়ার ২ (দিল্লি ক্যাপিটাল বনাম কলকাতা নাইট রাইডার্স)

কলকাতা নাইট রাইডার্স (KKR) ২০২১ এর ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের কোয়ালিফায়ার ২ রাউন্ডে দিল্লি ক্যাপিটালসের (DC) বিরুদ্ধে একটি নাটকীয় পতনের সম্মুখীন হয়েছে। এ ম্যাচে একটি সাধারণ প্রতিযোগিতা শেষ পর্যন্ত একটি অপ্রত্যাশিত এবং অভাবনীয় উপসংহারে পরিণত হয়েছে। যাইহোক, রবিচন্দ্রন অশ্বিনের পেনাল্টি ওভারে রাহুল ত্রিপাঠির একটি ছক্কা তৃতীয় বারের মত আইপিএল এর ফাইনালে তাদের অবস্থান নিশ্চিত করে। 

শারজাহতে অধিনায়ক ইয়ন মরগান ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর, KKR এর বোলারদের পারফরম্যান্স ছিল অসাধারণ যা DC টীমের রানকে দমিয়ে রেখেছিল। পরবর্তীতে শ্রেয়াস আইয়ার এবং শিমরন হেটমায়ার তাদের আক্রমণাত্মক খেলার মাধ্যমে দলের মোট  রানকে 135/5 এ উন্নীত করেন।

বরুণ চক্রবর্তী কলকাতার জন্য হাইলাইট ছিলেন, তিনি যখন প্রথম বলটি মারেন, বিপজ্জনক পৃথ্বী শ-কে 12 বলে 18 রানের মধ্যে আটকে দেন।

ইনজুরি কাটিয়ে ওঠার পর  মার্কাস স্টোইনিস শিখর ধাওয়ানের সাথে ক্রিজে যোগ দেন। যাইহোক, দুজনেই কলকাতার রহস্যময় স্পিনারদের বিরুদ্ধে তাদের স্কোর-রেট বজায় রাখতে লড়াই চালিয়ে যান।

শিবম মাভির বলে স্টোইনিসের উইকেট পতনের আগে, দুজনের পার্টনারশিপে 44 বলে 39 রান হয়েছিল। তার পরপরই চক্রবর্তীর বোলিংয়ে শিখর ধাওয়ান ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে ক্যাচ আউট হন।

রিসাভ পান্তও বেশীক্ষণ মাঠে থাকতে পারেন নি, লকি ফার্গুসন এর হাতে এই উইকেটের পতন হয়।  আউট হওয়ার পূর্বে, শিমরন হেটমায়ার 10 বলে 17 রান করেন, অন্যদিকে শ্রেয়াস আইয়ার শেষ কয়েক ওভারে খেলায় কিছুটা গতি এনে 27 বলে 30 রান করে খেলা শেষ করেন।

শুভমান গিল এবং ভেঙ্কটেশ আইয়ার প্রকৃতপক্ষে এ দুজনই নাইট রাইডার্সের জন্য ম্যাচটিকে তাদের জয়ের অনুকুলে নিয়ে এসেছিল। পর্যাপ্ত সময় বাকি থাকায়, তারা প্রতি বলে প্রয়োজনীয় রান রেট ধীরে ধীরে কমিয়ে আনে।

আইয়ার এই ম্যাচে আইপিএলে তার তৃতীয় হাফ সেঞ্চুরি করেন এবং ১৩ তম ওভারে কাগিসো রাবাদা কতৃক আউট হওয়ার আগ পর্যন্ত একটি দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন। শুরুর জুটি সর্বমোট ৯৬ রান করেন।

যাইহোক, তারপর থেকেই পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। গিল তার পক্ষ থেকে পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু ১৬ তম ওভারে নীতিশ রানা আনরিচ নর্টজের হাতে সুউচ্চ ক্যাচ তুলে দেওয়ার মাধ্যমে তার উইকেট হারান।

গিলও পরের ওভারে আবেশ খানের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে আউট হয়ে যান এবং পরবর্তীতে চার জন  ব্যাটস্‌ ম্যান শুন্য রানে আউট হয়। কলকাতার যখন ২ বলে ৬ রান দরকার ছিল, রবিচন্দ্রন অশ্বিন তখন হ্যাটট্রিক করেছিলেন।

অন্যদিকে, ত্রিপাঠি মাঠের মধ্যে একটি হাফ-ট্র্যাকার ফ্লাইয়িং শট খেলার অপেক্ষায় ছিলেন এবং দড়ির উপর দিয়ে শটটি খেলার মাধ্যমে তার দলের জন্য জয় সুনিশ্চিত করেন।

স্কোর বোর্ড

দিল্লী ক্যাপিটাল – ১৩৫/৫ (২০)

কলকাতা নাইট রাইডারস – ১৩৬/৭ (১৯.৫)

রেসাল্ট – ৩ উইকেটে KKR এর বিজয়

প্লেয়ার অফ দ্যা ম্যাচ – ভেঙ্কাটেশ আইয়ার

 

আসন্ন আইপিএল ফাইনালের উত্তেজনাপূর্ণ মুহূর্তের আপডেট পেতে Baji ‘র সাথেই থাকুন !

আরো ব্লগ